নিম্নের কোনটি লাইসোসোম তৈরি করে ?
-
ক
গলগি বডি
-
খ
মাইটোকন্ড্রিয়া
-
গ
সেন্ট্রিওল
-
ঘ
সাইটোপ্লাজম
গলজিবডির কাজ:
১. লাইসোজোম তৈরি
২. অপ্রোটিন জাতীয় পদার্থের সংশ্লেষণ
৩. কিছু এনজাইম নির্গমন
৪. কোষপ্লেট তৈরি করা
৫. প্রোটিন, হেমিসেলুলোেজ, মাইক্রোফাইব্রিল তৈরি করা
৬. কোষস্থ পানি বের করা
মাইটোকন্ড্রিয়ার কাজ: শক্তি উৎপাদন তথা- 'শ্বসন, অক্সিডেটিভ ফসফোরাইলেশন, ইলেকট্রন ট্রান্সপোর্ট প্রক্রিয়া মাইটোকন্ড্রিয়ার প্রধান কাজ।
সেন্ট্রিওল:
১. কোষ বিভাজনের সময় মেরু নির্দেশ করা।
২. বিভাজনে সাহায্য করা।
সাইটোপ্লাজম:
১. বিভিন্ন ক্ষুদ্রাঙ্গ ধারণকরা।
২. কতিপয় জৈবিক কাজ করা।
গলগি বডির কাজ (Function of Golgi Apparatus) :
(i) লাইসোসোম ও ভিটামিন তৈরি করা
(ii) অ-প্রোটিন জাতীয় পদার্থের সংশ্লেষণ করা
(iii) কিছু এনজাইম ও প্রাণরস নির্গম করা
(iv) কোষ বিভাজনকালে কোষপ্লেট তৈরা করা
(v) প্রোটিন, হেমিসেলুলোজ, মাইক্রোফাইব্রিল তৈরি করা
(vi) কোষস্থ পানি বের করা
(vii) এন্ডোপ্লাজমিক রেটিকুলামে প্রস্তুতকৃত দ্রব্যাদি ঝিল্লিবদ্ধ করা
(viii) বিভিন্ন পলিস্যাকারাইড সংশ্লেষণ ও পরিবহনে অংশগ্রহণ করা, তাই উদ্ভিদ কোষে গলগি বডিকে কার্বোহাইড্রেট ফ্যাক্টরি বলা হয়
(ix) মাইটোকন্ড্রিয়াকে ATP উৎপাদনে উদ্বুদ্ধ করা
(x) প্রোটিন ও Vit-C সঞ্চয় করা
(xi) কোষ প্রাচীর গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় পদার্থ ক্ষরণ করা
(xii) শুক্রাণু গঠনে সহায়তা করা
(xiii) লিপিড সংশ্লেষণ ও প্রোটিন ক্ষরণের সাথে জড়িত থাকা
লাইসোজোমঃ লাইসোজোম শব্দের অর্থ Lyso = হজমকারী, Somo = বস্তু। সাইটোপ্লাজমে অবস্থিত কতগুলো হাইড্রোলাইটিক এনজাইম একটি পাতলা পর্দা দিয়ে আবৃত থাকে। এদের লাইসোসোম বলে। ১৯৫৫ খ্রিস্টাব্দে দ্য দুবে (De Duve) এদের আবিষ্কার করেন। তিনি একে কোষের আত্মঘাতী থলে হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। কিছু ছত্রাক, শৈবালসহ অধিকাংশ প্রাণী কোষে লাইসোসোম পাওয়া যায়। তবে প্রাণীকোষের লোহিত কণিকা ও বেশির ভাগ উদ্ভিদ কোষে লাইসোজোম অনুপস্থিত।
সাধারণত দু'ধরনের লাইসোজোম পাওয়া যায়। যথা-
• ডাইজেসটিভ গহ্বর এবং
• রেসিডিউয়াল বস্তু ।
লাইসোজোমের গঠনঃ
প্রতিটি লাইসোসোম লিপোপ্রোটিন নির্মিত আবরণ দিয়ে আবৃত থাকে। এর ভেতরে গাঢ়, দানাদার গহ্বরযুক্ত পদার্থ থাকে। এতে টিস্যু বিগলনকারী এনজাইম ছাড়াও প্রায় ৫০ ধরনের এনজাইম থাকে। একেকটি লাইসোসোম একেক ধরনের এনজাইমে সমৃদ্ধ।
আকার ও আয়তনঃ
লাইসোজোম সাধারণত আকার আকৃতিবিহীন তবে গোলাকার বা অসমানও হতে পারে। এদের আকার অনিয়মিত এবং পরিবর্তনশীল। এদের আয়তন সাধারণত ০.৪-০.৮ মাইক্রন।
উৎপত্তিঃ
এন্ডোপ্লাজমিক রেটিকুলাম থেকে লাইসোমের উৎপত্তি।
লাইসোসোমের কাজঃ
*পিনোসাইটোসিস ও ফ্যাগোসাইটোসিস প্রক্রিয়ায় আক্রমণকারী জীবাণু ভক্ষণ ।
*তীব্র খাদ্যাভাব দেখা দিলে কোষস্থ উপাদান ও অঙ্গাণুকে বিগলিত করে ধ্বংস করে যাকে অটোফ্যাগি (Autophagy) বলে।
*পর্যাপ্ত পরিমাণ এনজাইম থাকায় এরা প্রায় সব ধরনের জৈবিক বস্ত্র হজম করতে পারে।
*এরা জীবদেহের অকেজো কোষকে অটোলাইসিস (Autolysis) প্রক্রিয়ায় ধ্বংস করে। ফলে সম্পূর্ণ কোষটিই পরিপাক হয়ে যেতে পারে।
*বিভিন্ন ধরনের বস্ত্তু নিঃসরণ করে।
*বিগলনকারী এনজাইমসমূহকে আবদ্ধ করে রেখে কোষের অন্যান্য ক্ষুদ্রাঙ্গকে রক্ষা করে।
*পরিপাক কাজে সাহায্য করে।
*কোষ বিভাজনে উদ্দীপনা যোগায়।
Related Question
View All-
ক
Keith R. Porter
-
খ
Christian de Duve
-
গ
George Palade
-
ঘ
Edouard Van Beneden
-
ক
রাইবোজোম
-
খ
এন্ডোপ্লাজমিক রেটিকুলাম
-
গ
লাইসোজোম
-
ঘ
গলজি বডি
-
ক
ইডিওসোম
-
খ
পারঅক্সিসোম
-
গ
লাইসোসোম
-
ঘ
রাইবোসোম
-
ক
সোডিয়াম ক্লোরাইড
-
খ
সোডিয়াম বাই কার্বনেট
-
গ
পানি
-
ঘ
লাইসোজাইম
-
ক
সাইটোপ্লাজমকে দৃঢ়তা প্রদান করা
-
খ
জীবদেহের অকেজো কোষকে ধ্বংস করা
-
গ
পরিপাক ক্রিয়ায় সহায়তা দান
-
ঘ
জীবাণু ভক্ষণ
-
ক
লাইসোসোম
-
খ
সেন্ট্রিওল
-
গ
ক্রোমোপ্লাস্ট
-
ঘ
সেন্ট্রোসোম
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!
Related Question
Question Analytics
মোট উত্তরদাতা
জন